7:30 am - Tuesday January 16, 2018

স্বামী স্ত্রীকে পরিতৃপ্তি দিতে পারছে না……ইসলাম অনুযায়ী এমন অবস্থায় স্ত্রীর কি করনীয়?

স্বামী স্ত্রীকে পরিতৃপ্তি দিতে পারছে না। এ অবস্থায় অনেক স্ত্রী স্বামীর খুশির জন্য নিজে পরিতৃপ্ত হয়েছেন এমনটা বলেন। অনেকেই স্বামীকে সরাসরি কিছু বলতেও পারছেনা কারন সে বিব্রত হতে পারে। এমন অবস্থায় স্ত্রীর কি করনীয়?

উত্তর: যদি এমন হয় তাহলে তাকে সরাসরি দিলে ভালো। সরাসরি বললে তাকে বিব্রত করা হবে না। তবে তাকে দুর্বল বলেও অভিযুক্ত করা যাবেনা। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এধরনের সমস্যার মূল কারণ, সমস্যা যে আছে সে বিষয়ে স্বামীর অনুভূতিশূন্যতা।

স্বামীর অপারগতা বা যৌনদুর্বলতা এ ক্ষেত্রে মূল কারণ নয়। কেননা সে হয়ত সঙ্গমে লিপ্ত হয়ে পড়ে এতৎসংন্ত্রান্ত কিছু বিষয় আমলে না এনেই।

অথচ সেগুলো প্রয়োগ করলে স্ত্রীর তৃপ্তিঘটা স্বাভাবিক ব্যাপার। এমন অবস্থায় আপনি স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ও মিলনবিষয়ক কিছু সহায়ক বইয়ের আশ্রয় নিতে; যেমন মাহমুদ মেহদি ইস্তান্বুলির তুহফাতুল আরুস ( নববধূর উপঢৌকন) বইটি।

ফলকথা হল, এ-বিষয়ে স্বামীর সাথে সরাসরি কথা বলতে ও তাকে এ বিষয়ক বই পুস্তক পড়তে পরামর্শ দেয়ায় কোনো মানা নেই। অবশ্য নারীকেও এ-ক্ষেত্রে দায়িত্ব ভাগ করে নিতে হবে। এ-ক্ষেত্রে নারীর যা যা করা উচিত করতে হবে।

স্বামীর জন্য সাজগোজ করতে হবে। স্বামীকে আদর দিতে হবে। মিলনে তাকে উৎসাহী করে তুলতে হবে। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা, তিনি যেন মুসলমানদের অবস্থা ভালো করে দেন। আল্লাহই উত্তম জ্ঞানী।

হঠাৎ বিপদে পড়লে মহানবী (সা.) এই ছোট্ট দোয়াটি পড়তে বলেছেন !
আমরা জীবনে চলার পথে অনেক সময় বিভিন্ন বিপদে পড়ে থাকি। চলার পথে যখন বিপদের সম্মুখিত হই, তখনই আমাদের বিশেষ একটি দোয়া পড়তে মহানবী (সা.) বিশেষ তাগিদ দিয়েছেন।

আমাদের প্রিয় নবী হযরত মহানবী (সা.) বলেছেন, কোনো ব্যক্তি প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যায় এই দোয়াটি তিনবার পড়বে আর কোনো কিছু তাকে কোনো ধরণের ক্ষতি করবে এমনটি হতে পারে না।

অন্য এক বর্ণনায় আছে: সকালে পড়লে সন্ধ্যা পর্যন্ত অতর্কিত কোনো বিপদে সে আক্রান্ত হবে না। আর সন্ধ্যায় পড়লে পরদিন সকাল পর্যন্ত অতর্কিত কোনো বিপদে সে আক্রান্ত হবে না। [আবু দাউদ:৫০৯০,তিরমিজি: ৩৩৮৮,ইবনে মাজাহ:৩৮৬৯]

আরবি দোআ : একবার

بِسْمِ اللَّهِ الَّذِى لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَىْءٌ فِى الأَرْضِ وَلاَ فِى السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

বাংলা উচ্চারণ : বিসমিল্লাহিল্লাজি লা ইয়া দুররু মা ইসমিহি শাইয়ূন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামায়ি। ওয়াহুয়াস সামিউল আলিম।

বাংলা অর্থ : (আমি আমার দিন বা রাতের সুচনা করছি) ওই আল্লাহর নামে যার নামের সঙ্গে আসমান জমিনের কোনো কিছু কোনো ধরণের ক্ষতি করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বাজ্ঞ


Filed in: শিল্প সাহিত্য
error: Content is protected !!